সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

গ্যালভানিক কোষ







সম্পাদনা

বিবরণসম্পাদনা

একটি গ্যালভানিক কোষে দুটি অর্ধকোষ থাকে। প্রতিটি অর্ধকোষে একটি ইলেকট্রোড যা জিঙ্ক ও কপারের পাত এবং একটি ইলেকট্রোলাইট যা এদের জলীয় দ্রবণ ZnSO4 ও CuSO4। ধাতব ইলেকট্রোডের ধাতু মিশ্রণের সাথে দ্রবীভূত হতে পারে এবং এর ফলে ইলেকট্রোলাইটে ধনাত্মক আয়ন যুক্ত হয় এবং ইলেকট্রনে ঋনাত্মক চার্জযুক্ত ইলেকট্রোড থাকে। এভাবে সকল অর্ধকোষে নিজস্ব অর্ধ-বিক্রিয়া ঘটে। চিত্রে প্রদর্শিত ডেনিয়েল কোষে Zn অনুর দ্রবীভূত হবার প্রবণতা Cu অণু থেকে বেশি। নির্দিষ্ট করে বললে, জিঙ্ক ইলেকট্রোডের ইলেকট্রনগুলোতে কপার ইলেকট্রোডের ইলেকট্রনের তুলনায় বেশি শক্তি থাকে। কেননা ইলেকট্রনের আধান ঋনাত্মক, এখন ইলেকট্রনকে আরো শক্তি দিতে হলে জিঙ্ককে কপারের চেয়ে বেশি ঋনাত্মক ইলেকট্রিকাল পোটেনশিয়াল থাকতে হবে। অবশ্য ইলেকট্রোডদ্বয়ের মধ্যে বাহ্যিক সংযোগ না থাকলে বিদ্যুত প্রবাহিত হয় না।
যখন ইলেকট্রোড দুটিকে বাহ্যিকভাবে সংযুক্ত করা হয় তখন ইলেকট্রনগুলো ঋনাত্মক ইলেকট্রোড জিঙ্ক থেকে ধনাত্মক ইলেকট্রোড কপারের দিকে অগ্রসর হয়। ইলেকট্রনের ঋনাত্মক আধান থাকার কারণে ইলেকট্রন প্রবাহের বিপরীত দিকে বিদ্যুত প্রবাহিত হয়। একই সময়ে ইলেকট্রোলাইটের ভিতর দিয়ে সমান পরিমাণ আয়নিক প্রবাহ চলে। বহিঃস্থ সংযোগের মাধ্যমে প্রতি দুটি ইলেকট্রন জিঙ্ক ইলেকট্রোড থেকে কপার ইলেকট্রোডের দিকে প্রবাহিত হবার সময় একটি Zn অণূ অবশ্যই দ্রবণে Zn2+ আয়ন হিসেবে চলে যাবে এবং চলে যাওয়া দুটি ইলেকট্রনকে প্রতিস্থাপিত করবে। সংজ্ঞানুযায়ী অ্যানোড হল সেই ইলেকট্রোড যেখানে জারণ বিক্রিয়া সংঘটিত হয়, অর্থাত গ্যালভানিক কোষে জিঙ্ক ইলেকট্রোড একটি অ্যানোড। কপার ইলেকট্রোডে গৃহীত দুটি ইলেকট্রন দ্রবণে গিয়ে একটি Cu2+ আয়নের সাথে যুক্ত হয়ে কপার অণু গঠন করে যা Cu ইলেকট্রোডে যুক্ত হয়। একইভাবে ক্যাথোডে বিজারণ সংঘটিত হয় বা ইলেকট্রন গৃহীত হয়, তাই এখানে কপার ইলেকট্রোডটি একটি ক্যাথোড।

গ্যালভানিক কোষের ইলেকট্রিক পটেনশিয়ালসম্পাদনা

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

WELFTION Meetup 2019 Dhaka

Notice পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন যোগাযোগ প্রধান সমন্বয়কারী তৌফিক  সুলতান (০১৫১৮৩৮৩৫৬৬) আজাহার উদ্দিন  (০১৬২৯৮২৫২৫৫) ইমেইল towfiqSultan.help gmail.com ফেসবুক গ্রুপ টুইটার হ্যাশট্যাগ:  #ওয়েলফশন #Welftion ওয়েলফশন বাংলাদেশ         ওয়েলফশন~মানবকল্যাণ সংঘ     ওয়েলফশন ~ মানবকল্যাণ সংঘ কর্তৃক আয়োজিত ঢাকা ওয়েলফশন  মিটআপ, অক্টোবর  ২০১৯ তারিখ ও সময়: ৩১ অক্টোবর ২০১৯, ০১:৫০ স্থান: কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার  (ঢাকা শহিদ মিনার ) ঠিকানা: শহিদ মিনার প্রাঙ্গনে  (......ঢাকা মেডিকেল কলেজ বাম পাশে ) সামনের চত্বর,  ঢাকা • ওয়েলফশনারদের আয়োজিত ওয়েলফশনারদের এই মিটআপটি সকলের জন্য উন্মুক্ত  আপনিও আমন্ত্রিত। বিষয়বস বিবিধ আলোচনা  কৌশল বিনিময় চা পর্ব ও বিবিধ আলোচনা অংশগ্রহণকারী তৌফিক সুলতান  আজহার উদ্দিন  জয় হাসান সাইফুল ইসলাম  মতিউর রহমান  আবদুল সালাম  জিহাদ নোটিশ নোটিশ :   ডি.এম.সি.এইচ এ যারা  ইন্টার্নিতে আছেন...

ঢাকা মেডিকেল কলেজ

প্রধান মেনু খুলুন©©Aah.Towfiq β অনুসন্ধান সম্পাদনা নজর রাখুন অন্য ভাষায় পড়ুন ঢাকা মেডিকেল কলেজ বাংলাদেশের ঢাকায় অবস্থিত চিকিৎসা বিষয়ক উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং হাসপাতা ল ঢাকা মেডিকেল কলেজ  বাংলাদেশের রাজধানীঢাকায় অবস্থিত একটি সরকারী মেডিকেল কলেজ। এটি ১৯৪৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় যা বর্তমানে বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় চিকিৎসাবিজ্ঞান বিষয়ক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এখানে ৫ বছর মেয়াদি এমবিবিএসকোর্সে প্রতি বছর ১৯৭ জন ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি করা হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ Dhaka Medical College ঢাকা মেডিকেল কলেজ লোগো ধরন সরকারি মেডিকেল কলেজ স্থাপিত ১৯৪৬ প্রশাসনিক অধিভুক্তি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যক্ষ অধ্যাপক খান আবুল কালাম আজাদ পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ মিজানুর রহমান অ্যাকাডেমিক কর্মকর্তা ৩,৪০৬ শিক্ষার্থী ১,৫৫০ অবস্থান ঢাকা ,  বাংলাদেশ শিক্ষাঙ্গন  শহুরে, ২৫ একর (০.১০১ বর্গকিলোমিটার) সংক্ষিপ্ত নাম ঢামেক / ডিএমসি ওয়েবসাইট dmc .gov .bd উইকিমিডিয়া | © ওপেনস্ট্রীটম্যাপ ঢা...

হৃৎপিণ্ড

হৃৎপিণ্ড উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে Jump to navigationJump to search হৃৎপিন্ড ও ফুসফুস,  গ্রে'স এনাটমী -র পুরাতন সংস্করন হতে নেওয়া। ‌হৃৎপিন্ড  একটি  পেশীবহুল অঙ্গ । এটি পৌনপৌনিক ছান্দিক সংকোচনের মাধ্যমে রক্তনালীর ভেতর দিয়ে  রক্ত সারা দেহে প্রবাহিত করে। এনালাইড, মলাস্কা এবং আর্থোপোডাতেও অনুরূপ অঙ্গ বিদ্যমান। [১]  কার্ডিয়াক প্রতিশব্দটির ( কার্ডিওলোজি  পরিভাষায়) অর্থ “হৃৎপিন্ড সংক্রান্ত” যা  গ্রীক  (καρδία),  কার্ডিয়া  হতে এসেছে। হৃৎপিন্ড এক ধরনের  মসৃণ পেশী  -  হৃৎপেশী  দ্বারা গঠিত, যা কেবলমাত্র এই অঙ্গেই পাওয়া যায়। [২]  গড়পড়তায় একটি মানব হৃৎপিন্ড প্রতি মিনিটে ৭২ বার স্পন্দিত হয়, সে হিসাবে ৬৬ বছরের জীবনে এটি প্রায় ২.৫ বিলিয়ন বার স্পন্দিত হয়। পরিচ্ছেদসমূহ ১ গর্ভস্থ বিকাশ ২ গঠন ২.১ মানব হৃৎপিন্ড ২.২ মাছের হৃৎপিন্ড ২.৩ দ্বিপ্রবাহী হৃৎপিন্ড ২.৪ সম্পূর্ণ বিভাজিত হৃৎপিন্ড ৩ কার্যপদ্ধতি ৪ প্রাথমিক চিকিৎসা ৫ অ্যাজটেক হৃৎপিন্ড উৎপাটন ৬ আরও দেখুন ৭ সূত্র ৮ বাইরের উ...