সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

অযৌন প্রজনন


মিওসিস প্রক্রিয়ায় জনন কোশ বা গ্যামেট তৈরি এবং দুটি ভিন্ন লিঙ্গের গ্যামেটের সংযুক্তি ব্যতিরেকে একটিমাত্র জীবদেহ থেকে স্বতন্ত্র অপত্য তৈরি হওয়ার ঘটনাকে অযৌন জনন বলে। এই প্রজনন প্রক্রিয়ায় একটিমাত্র জীব নিজের অবিকল প্রতিলিপি বা ক্লোন তৈরি করে। ফলে, জনিতৃ জীব এবং প্রতিলিপিত নতুন জীবের জিনের গঠন সম্পূর্ণ অপরিবর্তিত থাকে।
বিপুল বৈচিত্র্যময় জীবজগতে প্রতিটি জীব তার নিজস্ব জনন পদ্ধতিতে বিবর্তিত হয়েছে। এই প্রজনন পদ্ধতি জীবের বাসস্থান, আভ্যন্তরীণ শারীরিক গঠন এবং আরও অন্যান্য নিয়ামক দ্বারা নির্ধারিত হয়। বিভাজন (Fission), কোরকোদ্গম (Budding), রেণু উৎপাদন (Sporulation), গেমা গঠন (Gemmae formation), খণ্ডীভবন ও পুনরুৎপাদন (Fragmentation & Regeneration), অঙ্গজ জনন (Vegetative propagation) এবং অন্যান্য উপায়ে অযৌন জনন সংঘটিত হয়।

অযৌন জননের প্রকার সম্পাদনা

'রেণু' হল মাইটোসিস প্রক্রিয়ায় বিভাজিত ক্ষুদ্র, এককোশী, পাতলা বা পুরু প্রাচীর বিশিষ্ট জনন একক। এই রেণুগুলি ছড়িয়ে পড়ার পরে অঙ্কুরিত হয়ে স্বতন্ত্র জীবের জন্ম দেয়। মনেরা, প্রোটিস্টা, ছত্রাক ও অ্যালগির সদস্যদের মধ্যে রেণু উৎপাদনের ঘটনা সচরাচর পরিলক্ষিত হয়। এই অযৌন রেণু বিভিন্ন প্রকারের হয়। যেমনঃ ওইডিয়া, কনিডিয়া, চলরেণু (Zoospores), স্পোরাঞ্জিওস্পোর, ক্ল্যামাইডোস্পোর ইত্যাদি।

অযৌন জননের সুবিধা ও অসুবিধাসম্পাদনা

মন্তব্যসমূহ